Our Mission : Food, Education, Medicine
Medical
Start Date : 15th March 2026
End Date : 30th April 2026
বন্ধু নাসিরের ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট ভাই মোহন এর জন্য সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেই
(( সাহায্য দরকার )) [খুব দ্রুত সাহায্য দরকার] এখানে সর্বনিম্ন ১০ টাকা পর্যন্ত দান করার ব্যবস্থা রয়েছে।দুই বছরের নিষ্পাপ বাচ্চা এতিম হয়ে যাবে। ওর বাবা ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত। বাবার সাথে সুন্দর মুহূর্তগুলো, পৃথিবীর সবচেয়ে দামি স্মৃতিগুলো তৈরি করার সুযোগটাও এই বাচ্চাটা পাবে না। এত বড় হয়েছি এখনো বাবা ছাড়া দুনিয়াটা অচল মনে হয়।- প্রথম যখন নাসির শেয়ার করলো যে ওর ছোট ভাই ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত তখন মনটা খারাপ লাগলো। কিন্তু যখন পুরো মাথার খুলি জুড়ে স্ট্যাপল করা দেখলাম তখন আতঙ্কে মন শিউরে উঠলো।রোজার মাস থেকে ও অসুস্থ। বমি হয়, মাথার পিছনে ব্যথা, শরীরে কোন জোর নেই। মনে করেছিল হয়তো কোন ভাইরাল ফিভার হবে বা ছোটখাটো কিছু, কিন্তু রাতারাতি যে দুনিয়া পাল্টে যাবে তা চিন্তাও করেনি। চিন্তা করবেই বা কিভাবে, আমাদের মত স্বল্প আয়ের মানুষরা নিজেদের কোন বড় রোগ হতে পারে সেটাও চিন্তা করার সাহস পায় না। কারণ তার খরচ বহন করার ক্ষমতা তাদের হয় না।- বরিশাল থেকে দুটো এমআরআই করানোর পর National Institute Of Neurosciences & Hospital এ ভর্তি হতে বললো। ঐখানে আবার সবগুলা টেষ্ট নতুন করে করানোর পরে ব্রেইন টিউমার ধরা পড়লো। জরুরীভাবে ঐখান থেকে অপারেশন করতে বললো।যাইহোক ধারদেনা করে অপারেশন টা গত 28/07/22 তারিখে করানোও হলো। আত্মীয়-স্বজনের কাছে হাত পেতে যতটুকুন সম্ভব জোগাড়পাতি করে চিন্তা করলো যে এ যাত্রা অন্তত কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আল্লাহ মনে হয় ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে বসেছে। বড় কঠিন এই পরীক্ষা। অপারেশনের পরে দুইটা টেষ্ট করার জন্য ডাক্তার ইমার্জেন্সি নির্দেশ দিল এবং ওই টেস্টে ধরা পড়ে ব্রেইন ক্যান্সার। তারপর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থেরাপি নেয়ার জন্য সাজেস্ট করলো।কিন্তু থেরাপি নিবে কি দিয়ে??? টাকা পয়সা যা ছিলো ইতিমধ্যে সব শেষ । ধার দেনা করা টাকা পয়সাগুলো ও শেষ। এখন অসহায় ছোট ভাইটা আর তার অবলা বাচ্চাটার দিকে তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর কিছু করার নেই। নাসিরের পাঠানো মেসেজ -"আমরা যৌথ পরিবার আর আমি ঘরের বড় ছেলে। যার কারনে পুরো পরিবার এখন আমার দিকে তাকাইয়া আছে| আমার যে পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। চাকরি করে যা মাইনে পাই তাতে পেটই চলে না। কিছুই করতে পারতেছি না ছোট ভাইটার জন্য।" এরপরে আর কিছু বলতে পারে না। আমরা যারা মধ্যবিত্ত, তাদের মতো অসহায় এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই। ক্ষুধার দায়ে মরার দশা কিন্তু মুখ ফুটে বলা যায় না।কতটা কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আমাদের ছোট ভাইটা। এই কষ্টটা ভাগ করে নেয়ার ক্ষমতা আল্লাহ আমাদেরকে দেননি কিন্তু তার কষ্ট কিছুটা লাঘব করার ক্ষমতা আমাদেরকে দিয়েছেন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বলছি, যার যতটুকু সাহায্য করা সম্ভব - প্লিজ সবাই এগিয়ে আসো। কে কত টাকা দিতে পারছে সেটা কোন ব্যাপার না, কাউকে কোন জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। কালকে একই সিচুয়েশনে আমরা যে কেউই পড়তে পারি। সবার কাছে বিনীত নিবেদন, দয়া করে এগিয়ে আসো।